প্রতিটি জেলায় একটি করে আরটি পিসিআর ল্যাব হবে
মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রতিটি জেলায় একটি করে আরটি পিসিআর ল্যাব করার চিন্তাভাবনা সরকারের রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন।
তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাস সম্পর্কে অন্য দেশের মতো আমাদেরও তেমন ধারণা ছিল না। এর চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কেও আমাদের ধারণা ছিল না। করোনা টেস্টের জন্য দেশে উন্নতমানের ল্যাব ছিল না। কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যাব উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশে এখন সরকারি বেসরকারি মিলে ১১৫ আরটি পিসি আর ল্যাব রয়েছে। প্রতিটি জেলায় একটি করে আরটি পিসি আর ল্যাব ও মেডিকেল কলেজ গঠন করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে সরকারের।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের আরটি পিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
করোনাভাইরাস পরীক্ষায় দেশে ১১৫টি আরটি পিসিআর ল্যাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন করোনার প্রথম দিকে দেশে মাত্র একটি আরটি পিসিআর ল্যাব ছিল আর এখন দেশে ১১৫টি আরটি পিসিআর ল্যাব রয়েছে। যার মাধ্যমে মানুষ করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করাতে পারছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের জন্য আমরা অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছি। বিশ্বের সবচেয়ে ভালো ভ্যাকসিন ম্যানুফ্যাকচারাল ইন্ডিয়ার সাথে চুক্তি করা হয়েছে। যখনই তারা তৈরি করবে এবং বাজরজাত করার অনুমতি পাবে তখনই আমরা ভ্যাকসনি পেয়ে যাবো।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমেরিকায় করোনাভাইরাসের জন্য যে ওষুধ ব্যবহার করা হয়, আমাদের দেশে ঠিক একই ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমন রোধে মাক্স পড়াটা খুব জরুরি। মাস্ক পরলে নিজে ভালো থাকবেন, অপরকে ভালো রাখবেন এবং আপনার পরিবার ভালো থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা যদি মাস্ক পড়ি, সামাজিক দূরত্ব মেনে কাজ করি। তাহলে আমাদের দেশে করোনাভাইরাসের মৃত্যুর হার বাড়বে না এবং সংক্রমন হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবো।
মন্ত্রী আরও বলেন, যে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমন বেশি হয়েছে। সে দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ে নেমে এসেছে। করোনার কারণে মানুষের বেকার সমস্যা,দারিদ্রতা ও সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা ওই অবস্থায় যেতে চাই না। কারণ অন্য দেশের তুলনায় আমরা অনেক ভালো। আমরা ভারতের মতো অর্থনৈতিকভাবে মাইনাসে যেতে চাই না।
অনুষ্ঠানে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো.আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার রিফাত রহামন শামীম, স্থানীয় সরকার শাখার উপ পরিচালক ফৌজিয়া খান, উপাধ্যক্ষ ডা. শিশির রঞ্জন দাশ ও প্রকল্প পরিচালক ডা. খান মোহাম্মদ আরিফ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম, বিএমএর মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারন সম্পাদক ডা. রাজিব বিশ্বাস প্রমুখ।